Breaking News

Welcome to Advocate Abdur Rob Parvez Robi (A famous Lawyer, renowned Author & popular Academician in Bangladesh *** ফি আইনগত সেবা গ্রহণ কিংবা যে কোন ধনণের আইনী জটিলতা বা সমস্যার আইনী সমাধান বা আইন সহায়তা ও পরামর্শ পেতে আমাদের সাথে শেয়ার করুন কিংবা যোগাযোগ করুন। *** Civil Law, Criminal Law, Company Law, Corporate Law, Marine Law, Aviation Law, IP Law, VAT & Tax Law, Constitutional Law & Writ as Rights Law. *** To-Let for adds & contract with us 016 00000 735 or mail us adv.abdurrob.bd@gmail.com *** Thanks a lot for visit our Website.*** Advocate Abdur Rob Parvez Robi*** Like Our Page & Join with us

বার কাউন্সিল লিখিত পরিক্ষা-২০ প্রস্তুতি ও প্রশ্নের ধরণ এবং আপনার করনীয় বিশ্লেষণ।

বার কাউন্সিল লিখিত পরিক্ষা- ২০২০ প্রস্তুতি ও প্রশ্নের ধরণ এবং আপনার করনীয় বিশ্লেষণ।

হে এ্যাডভোকেটশীপ লিখিত পরীক্ষার্থীবৃন্দ, 
আপনি টিকেট কেটে নৌকায় উঠেছেন (এমসিকিউ) ওপাড়ে নামলেই ধানক্ষেত (ভাইভা) তারপরই বাড়ী (কোর্ট) দেখা যায়। দু’বছরের ভেতর আর নৌকা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই(বারের পরিক্ষা) যে হারে নদী ভাঙ্গছে (ফেল করছে) স্রোতও বাড়ছে(প্রশ্নের জটিলতা) আবার সন্ধ্যাও ঘনিয়ে আসছে (পরিক্ষা) বাড়ী যাবেন? না নেমে যাবেন? মাঝপথে ডুবে আসুস করবেন নাকি শক্ত করে ধরে বসে(ভালো প্রস্তুতি নিয়ে) ওপাড়ে পাড়ি জমাবেন! সিদ্ধান্ত আপনার! নাকি ৩বছর অপেক্ষা করবেন তাও ভাবনা আপনার! আপনাদের সকলের প্রতি আমাদের #GLEC পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভ কামনা ও ভালোবাসা নিরন্তর। 

 লিখিত পরিক্ষা অংশগ্রহণের জন্য যারা অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন আজ তাদের কথাই বলছি। সকলে পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলে আমরা আশাবাদী। কিন্তু সকলের মধ্যে নিশ্চয় অনেকেই পড়াশোনা নিয়ে এখনো ভাবছেন না তেমন। কারণ বার কাউন্সিল কবে লিখিত পরিক্ষার তারিখ ঘোষণা করবে সেই অপেক্ষায় আছেন। আবার কেউ কেউ আজ শুরু করবো কাল শুরু করবো বলে ধরছেন না এখনো।শুরু করলেই শেষ করে ফেলে দেবো ভাবছে। হ্যা আপনি পারবেন। তাছাড়া আমরা আগে দেখেছি যে, লিখিত পরিক্ষা খুব সহজ হয় বা প্রশ্ন পূনরাবৃত্তি করে থাকে বার কাউন্সিল যেমনটি করেছিলো ২০১৭ সালের প্রশ্নে ২০১৪ সাল থেকে কমন পড়েছিলো প্রায় ৮ টা প্রশ্ন।আপনি যদি ভেবে থাকেন এবারো আগের মতই হবে তাহলে হয়তো ২০২০ সালের এমসিকিউর মতই পুরোটা সেকশন অনুযায়ী হবে ভেবে আবারো ভুল করছেন। তবে এতোটা চিন্তিত হওয়ার আবার কারণ নেই। আপনার বিন্দু পরিমান পরিশ্রমও আপনার সাথে বেইমানী করবে না। কারণ পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না। অনেকের কাছে মনে হচ্ছে পরীক্ষা খুব একটা কাছাকাছি নয় তবে তারিখটা হঠাৎ করে স্বল্প ব্যবধানে আপনার চোখে এসে একটি বিজ্ঞপ্তি ভাসছে আগামী জুনের মধ্য থেকে জুলাইয়ের অদ্যবদি পর্যন্ত এমন একটি ঘোষণা। হঠাৎ করে বিপাকে পড়ে যাবেন। পরিক্ষার টেনশনে আর পড়া হবেনা। 

এমসিকিউ’র পরপরই বলেছিলাম যে, জুন-জুলাইতে লিখিত পরিক্ষা হয়ে যাবে। তাছাড়া সময় তো সবাই একই পাচ্ছে। যারা ভয় পাচ্ছেন তাদের বলছি ভয় না পেয়ে আপনি এই লেখা পড়া শেষ করেই আপনার বারের লিখিত পরিক্ষার জন্য পড়া শুরু করে দিন। প্রস্তুতি সব সময় ঐ সময়ই শুরু করতে হয়। পড়ব পড়ব বলে রেখে দিলে ঐ পড়া আর হয়ে উঠবে না। সাজেশন ভিত্তিক তো সকলেই পড়বে। আপনি পরিকল্পনা অনুযায়ী সাজিয়ে পড়ুন। এখন যে ভয় পাচ্ছেন ঐ ভয় আর আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না। এমসিকিউ পরীক্ষার পর লিখিত নিয়ে আমরা একটা লেখা লিখেছিলাম প্রস্তুুতিটা এখন থেকে কেন নয়? সাধারণত নিয়মগুলো অনুসরণ করলে লিখিত পরীক্ষায় আপনার পাশ অবধারিত। 

সংযোজন সহকারে আরো যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনুসরণ করা প্রয়োজন সে বিষয় নিয়েও আলোচনা থাকছে।
 - বিগত লিখিত পরীক্ষা থেকে এবারের লিখিত পরীক্ষা ব্যতিক্রম মনে হচ্ছে নিশ্চয় আপনার কাছে ঠিক যেমনটা এবারের এমসিকিউতে হয়েছে। চার ভাগের তিন অংশেরও বেশী পরীক্ষার্থী এবছর এমসিকিউতে ঝরে পড়েছেন। বলার অপেক্ষা রাখে না যারা টিকেছেন, তারা যে জিনিয়াস এতে কোন সন্দেহ নাই। বাকীদের মধ্যে অনেকের ভাগ্য তার সহায় হয়নি। 
সুতরাং আপনাকে মেধাবীদের ভিতর মেধাবী হয়ে উঠতে হবে লিখিত পরীক্ষায় ভাল করার ইচ্ছে যদি আপনার জাগে। আপনি নিশ্চয় অবগত প্রায় ৪৩ হাজার পরিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮৭৬৪ জন পাশ করেছেন। 
ধরুন গত বছর লিখিত পরিক্ষায় খারাপ(ফেল) করেছেন ৩৫০০+ তাহলে এবারে প্রায় ১২০৬৪ জন পরিক্ষার্থী অংশগ্রহন করবে। ধরুন যদি প্রায় ৪৫০০ বা ৫০০০ পরীক্ষার্থী ভাইভার জন্য অংশগ্রহণ করে তাহলে আইনজীবী হবে ধরুন প্রায় ৩০০০+/- তাহলে আপনাকে কি পরিমান পরিশ্রম করতে হবে ভেবে দেখেছেন? 

আপনাদের সকলের জন্য শুভ কামনা করছি এবং মনে প্রাণে চাই আপনারা সবাই কৃতকার্য হোন। বাস্তবতার হয়ত বা সেটা হয়ে উঠবে না। তবে সবাই সচেতন হলে পাশের হার যে বাড়বে এতে কোন সন্দেহ নেই। সিলেবাস নিয়ে অনেকের ভ্রান্ত ধারণা আছে কিংবা যে যার মত করে ভাবছেন। অনেকে মনে করেন বার কাউন্সিল হয়ত নতুন সিলেবাস দিয়েছে। আবার অনেকে মনে করেন আগের মতই হবে কিংবা খুবই ব্যতিক্রম হবে। মনে রাখবেন বর্তমান আপনাদের যে সিলেবাসটা অনুসরণ করতে হবে তা বার কাউন্সিল ২০১৫ সালের লিখিত পরীক্ষার পূর্বেই পরিবর্তন করেছিলেন। 

৩১ জুলাই, ২০১৫ - পরীক্ষায় কোন আইন নিয়ে কোন গ্রুপ, কয়টি উত্তর করতে হবে - সিস্টেমটি অনুসরণ করলেও সিলেবাসে উল্লিখিত ড্রাফটিং, সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্নের ধরনটি অনুসরণ করেনি। গত পরীক্ষায় করেনি, তাই বলে এই পরিক্ষায়ও করবে না এমন বাজে চিন্তায় বসে থাকলে চলবে না। আবার তেমন একটা পরিবর্তন নাও করতে পারে। এছাড়াও প্রশ্নের ধরন পরিবর্তন ৫০% এর বেশি বা কম এদিক ওদিক করতে পারেন। সুতরাং আপনাকে প্রশ্নের ধরন নিয়ে না ভেবে ন্যারেটিভ, বর্ণনামূলক, বিশ্লেষণধর্মী, ড্রাফটিং বা মুসাবিদা, প্রবলেমেটিক বা সমস্যামূলক, টিকাসহ সকল বিষয় সম্পর্কে ধারণা নিয়ে যেতে হবে। সিলেবাস অনুযায়ী পরিক্ষায় বর্ণনামূলক বা ন্যারেটিভ কিংবা বিশ্লেষণধর্মী প্রতিটি আইন থেকে প্রশ্ন আসবে বা সাধারণত এসে থাকেও বটে। ড্রাফটিং বড় জোর ৩টি আইন যেমন দেওয়ানী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ও ফৌজদারী থেকে আসতে পারে। প্রবলেমেটিক/ সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন সকল আইন থেকে আসতে পারে। গত দু বছর পরীক্ষার পূর্বের ড্রাফটিং ও সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসতে দেখা গেছে। টিকা মোটামুটি দুটি আইন থেকে দেখে যেতে হবে। তবে এবারের পরিক্ষায় শৃজনশীল প্রশ্নও হতে পারে। অথাৎ অনুচ্ছেদ ও তার নিছে দেওয়া থাকবে যা সমস্যা সংক্রান্ত হতে পারে। 

তবে সর্বশেষ বিগত দুটি পরীক্ষায় প্রশ্নে পার্ট পার্ট আকারে খুব কম থাকছে। মানে এই নয় যে, এবারও কম থাকবে। প্রশ্নে পার্ট পার্ট করে যদি কম থাকে বা একটি অংশ থাকে তাহলে ঐ প্রশ্নটি বেশ বড় করেই লিখতে হবে অথাৎ আপনি সময় অনুযায়ী ভাগ করে নেবেন।ধরুন বড় একটি প্রশ্নের জন্য ১৫ মার্ক ছোট একটি প্রশ্নের জন্যও যদি ১৫ মার্ক থাকে তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রশ্নটি সাজিয়ে গুছিয়ে বড় করে লেখাটাই শ্রেয়। যদি দুই বা ততোদিক অংশ নিয়ে থাকে তাহলে প্রত্যেক অংশও মার্ক অনুযায়ী আপনি সময় ভাগ করে নিন ও সে অনুযায়ী মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখুন। 

তবে উল্লেখ্য যে ঐসময় আপনি সময়কে শর্ট কাট করে নিতে হবে। প্রশ্ন অনুসারে ও মানের উপর ভিত্তি করে উত্তর ছোট বড় করে লিখতে হবে।খেয়াল রাখুন, প্রশ্নানুযায়ী সময়ের সাথে মিল রেখে সঠিক, যথাযথ ও সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছেন কিনা। কোন ভাবেই প্রশ্ন ছেড়ে আসা যাবেই না। প্রথমেই প্রশ্ন হাতে পাওয়ার সাথে সাথে এক নজর চোখ বুলিয়ে নিন। কোন একটি প্রশ্ন যদি পড়ার মধ্য থেকে না থাকে চিন্তিত হবেন না। যা আপনার কাছে কঠিন তা সকলের কাছেই মনে হবে। সেটাকে যতটুকু সম্ভব গুছিয়ে ধারা উদাহরণ, ব্যাখ্যা, কোন নজীর দিয়ে সাজিয়ে লিখুন আশা করি আপনি ভাল মার্কস পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন না। 

সফলতা আপনার হাতে কি করবেন এখনই ভাবুন। সিদ্ধান্ত আপনার- ঠিক তাই আবারও বলছি, আপনি টিকেট কেটে নৌকায় উঠেছেন (এমসিকিউ) ওপাড়ে নামলেই ধানখেত (ভাইভা) তারপরই বাড়ী (কোর্ট) দেখা যায়। দু’বছরের ভেতর আর নৌকা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই(বারের পরিক্ষা) যে হারে নদী ভাঙ্গছে (ফেল করছে) স্রোতও বাড়ছে(প্রশ্নের জটিলতা) আবার সন্ধ্যাও ঘনিয়ে আসছে (পরিক্ষা) বাড়ী যাবেন? না নেমে যাবেন? মাঝপথে ডুবে আফসুস করবেন নাকি শক্ত করে ধরে বসে(ভালো প্রস্তুতি নিয়ে) ওপারে যাবেন সিদ্ধান্ত আপনার! নাকি ৩বছর অপেক্ষা করবেন তাও ভাবনা আপনার! আপনাদের সকলের প্রতি আমাদের অনেক অনেক শুভ কামনা ও ভালোবাসা নিরন্তর। 

লেখক- মোঃ আবদুর রব পারভেজ রবি,
এলএলবি (অনার্স), এলএলএম (জবি), পিজিডি (ঢাবি)

No comments

Powered by Blogger.